হিন্দু শিক্ষক পড়াচ্ছেন ইসলাম শিক্ষা !!!!!!!!!!!!

হিন্দু শিক্ষক পড়াচ্ছেন ইসলাম শিক্ষা! সংবাদটি দয়া করে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
ফরিদপুরের নগরকান্দায় মানিকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষক না থাকায় হিন্দু শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে ছাত্রদের ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন। বিদ্যালয়টিতে ৯৭ ভাগ শিক্ষার্থী মুসলমান হলেও দীর্ঘদিন কোনও শিক্ষক না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি মুসলিম শিক্ষক চেয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ২০১৬ সালে মোট ৩২৯ জন শিক্ষার্থী পাঠ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সাতজন হিন্দু শিক্ষার্থী এবং বাকি সবাই মুসলমান। ২০১৭ সালের শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ বিদ্যালয়ে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই মুসলমান। বিদ্যালয়ে কমপক্ষে দু’জন

মুসলমান শিক্ষক থাকলে ইসলাম ধর্ম শিক্ষা পাঠদান সঠিক ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।’উপজেলা শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান বলেন, ‘ওই বিদ্যালয়ের মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পাঠগ্রহণে সমস্যা হচ্ছে। এ সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।সুত্রঃ লিংক

লালবাগ জামেয়ার সর্বশেষ প্রিন্সিপাল মুফতি ফজলুল হক আমিনী রহ. এর শিক্ষাজীবনঃ

মুফতি ফজলুল হক আমিনী রহ. এর পিতা আলহাজ ওয়ায়েজউদ্দিন তার জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় অতিবাহিত করেছেন আলেম ওলামাদের সান্যিধ্যে। ১৯৫৪ সালে মুফতি আমিনীর বয়স যখন নয় বছর তখন থেকেই তার শিক্ষা জীবনের সূচনা। বাবা ওয়ায়েজউদ্দিন প্রথমে তাকে দেশের প্রসিদ্ধ দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বি. বাড়িয়ার জামিয়া ইউনুসিয়ায় ভর্তি করান। এরপর সেখান থেকে মুন্সিগঞ্জের মুস্তফাগঞ্জ মাদরাসায় হাফেজ মাওলানা মুহসিনউদ্দিন রহ. এর তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন।

মুস্তফাগঞ্জে অধ্যায়নের তিন বছর শেষ হলে বাবা ওয়ায়েজুদ্দিন তাকে নিয়ে চলে আসেন ঢাকার প্রাচীন দ্বীনী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বড় কাটারা মাদরাসায়। এবং ছেলেকে সোপর্দ করে দিয়ে যান তার মুর্শিদ পীরজী হুজুর রহ. এর মুবারক হাতে।

জিহাদ সম্পর্কে বিভ্রান্তি নিরসন

জিহাদ সম্পর্কে বিভ্রান্তি নিরসন➦ Download
জিহাদ সম্পর্কে সমাজে বিদ্যমান ১০০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন এবং সরাসরি পবিত্র কুর’আন থেকে তাঁর জওয়াব। আপনি আপনার মনের গহিনে অস্থির হয়ে ঘুরে ফেরা, জবাব না পাওয়া প্রশ্নটিকে নিচের প্রশ্ন গুলো থেকে খুঁজে বের করে নিন এবং সরাসরি পবিত্র কুর’আন হতে তাঁর উত্তর ও সমাধান নিয়ে আশ্বস্ত হোন।

কুর’আন থেকে সমাধান ..........................................................................................................।

সুলতান সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী (রহ.)'র দুঃসাহসী,গোয়েন্দাবৃত্তি নিয়ে আসাদ বিন হাফিজের আলোড়ন সৃষ্টিকারি ক্রুসেড সিরিজের ০১-৩০ টি গ্রন্থ এক সাথে ডাউনলোড করে আপনার ঈমানী জীবন কে আরও শাণিত করতে পারেন।

☺✌ সব বই একসাথে রার করা হয়েছে,প্রথমে রার থেকে আনরার করতে হবে 
আনরার সফ্টওয়ার উইন্ডোজের জন্য    ➥  Download
আনরার সফ্টওয়ার এনড্রয়েডের জন্য   ➥ Download
আনরার সফ্টওয়ার আই ও এস'র জন্য  ➥ Download

দু'টি মুল্যবান দলিল

জিহাদ সম্পর্কে বিভ্রান্তি নিরসন
প্রিয় নবীজি সেঃ) এর জীবনি ছাড়া একজন মুসলমানের জীবন একদম অচল, তাই তাঁর জীবনী অধ্যায়ন করতঃ নিজ জীবন সাফল্য ও স্বার্থকপূর্ণ করার জন্য বিশ্বনন্দিত দু'টি মহা সিরাত গ্রন্থ।আর রহিকুম মাখতুম উর্দু ভার্সন
আর রহিকুম মাখতুম উর্দু ভার্সন

জিহাদ সম্পর্কে বিভ্রান্তি নিরসন⇨
জিহাদ সম্পর্কে বিভ্রান্তি নিরসন⇨
জিহাদ সম্পর্কে বিভ্রান্তি নিরসন⇨
জিহাদ সম্পর্কে বিভ্রান্তি নিরসন⇨

আর রহিকুম মাখতুম বাংলা ভার্সন
                Download

জিহাদ নিয়ে ভুল বুঝাবুঝি_______ শায়খ ড. ইউসুফ আল কারযাভী

শায়খ ড. ইউসুফ আল কারযাভীকে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী আলেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইসলামের নানাবিধ বিষয়ে তিনি ১২০টিরও বেশি পাণ্ডিত্যপূর্ণ বই লিখেছেন। তাঁর সবচেয়ে মৌলিক কাজগুলোর মধ্যে ২০০৯ সালে প্রকাশিত ‘ফিকহুল জিহাদ’ অন্যতম। ১৬’শ ৪৬ পৃষ্ঠার সুবিশাল এই গ্রন্থে শায়খ কারযাভী জিহাদ নিয়ে প্রচলিত ব্যাখ্যাগুলো পর্যালোচনা করে বর্তমান সময়ের আলোকে জিহাদের ধারণাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

মাওলানা শহীদুল ইসলাম ইনসাফীর নিঃশর্ত মুক্তির দাব

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ষড়যন্ত্রমূলক,ডাহা মিথ্যা,মামলায় ইসলামী ঐক্যজোট যশোর জেলা সভাপতি , হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শহীদুল ইসলাম ইনসাফীর গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী ও মহাসচিব মুফতী ফয়জুল্লাহ

মুফতি আমিনী রহ. ছিলেন আপোষহীনতার প্রতিক

মুফতি ফজলুল হক আমিনী রহ. শুধু একটি নামই নয়, একটি আন্দোলন, ইতিহাসের এক বিশাল পাঠ। ছিলেন এক জনপ্রিয় প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ। যখন রাজনৈতিক সমাবেশে তাঁর নাম ঘোষিত হতো, তখন হাজার জনতার মন আবেগে-উত্তেজনায় দুলে-দুলে উঠতো, তাদের উৎসুক দৃষ্টি অনিমেষ লেগে থাকতো মঞ্চে, ডায়াসে, মুফতি আমিনীর উদয়নের পথে, সমাবেশ জুড়ে প্রথমে নেমে আসতো একটা সুনসান নীরবতা, তারপর বক্তৃতা শুরু হলে সেই নীরবতা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যেতো,

এরদোগান ও খেলাফত

রিসেফ তায়েফ এরদোগান
তুর্কি প্রেসিডেন্ট - ২০১৪-বর্তমান
প্রধানমন্ত্রী ২০০৩ -২১৪
১৯২৪ সালে ওসমানীয়া খেলাফতের পতনের মধ্য দিয়ে ইসলামী খেলাফত বিলুপ্ত হয় । সেই থেকে সৌদিআরব এবং তুরস্কের মধ্য বিভেদ চলতে থাকে । এরপর মুসলিম বিশ্বও ভেঙ্গে টুকরা টুকরা হয়ে যায় ।

গত একশো বছরে মুসলিম বিশ্বে একজন নেতাও আসেনি যিনি মুসলমানদেরকে একত্রিত করার চেষ্টা করেছিলেন । বরং সাদ্দাম গাদ্দাফী হোসনী মোবারকের মত এমন কিছু ডিক্টেটর ক্ষমতায় এসেছিলেন যাদের সাথে জনগণের সামান্যতমও সম্পর্ক ছিলনা ।

মুফতি আমিনী (রঃ) কি শহীদ? একটি তত্ত্বসমৃদ্ধ বিশদ পর্যালোচনা।

অনেকেই গন্ডমূর্খের মতন একটি অবান্তর প্রশ্ন ছুঁড়েছেন। প্রশ্নটি সাবেক সংসদ সদস্য, ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি ও ইসলামি ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান, শায়খুল মাশায়েখ, মুজাহিদে মিল্লাত শহীদ আল্লামা মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে (রঃ) নিয়ে। গত ১২/১২/১২ তারিখে আল্লামা আমিনীকে (রঃ) ২১ মাস ২১ দিন গৃহবন্দীসহ  আওয়ামী সরকারের শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন সহ অমানবিক আচরণের ফলে ১২টা ১২ মিনিটে তিনি শাহাদাতবরণ করেন (انا لله وانا اليه راجعون)।

মুসলমানদের সিন্দুকের চাবি যখন হিন্দুদের হাতে, তখন দেশের স্বাধীনতা সত্যিই সঙ্কটাপন্ন

পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মূল কারণ মীর জাফরের বেঈমানী বলে দাবি করা হলেও আসলে তা মূল ছিলো না। মূল কারণ ছিলো ঐ সময়কার হিন্দুদের বেঈমানী :-
উল্লেখ্য, সে সময় মুসলমানরা হিন্দুদের কাছে তাদের অর্থনীতির দায়িত্ব ন্যাস্ত করেছিলো। বিশেষ করে জগৎশেঠ ঐ সময় বাংলার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠে। এছাড়া নবাবীর দায়িত্বে থাকা উমিচাদ ও তার পূত্র মুসলমানদের টাকা নিয়ে ব্রিটিশদের সরবরাহ করতো। ইতিহাস বলে ঐ সময় মুসলমানদের ক্যাশ বাক্স তথা সিন্দুকের চাবি থাকতো হিন্দুদের দায়িত্বেই। এ সম্পর্কে জগৎশেঠের একটি উক্তি আছে-

হিন্দুদেরকে অর্থনীতির দায়িত্ব দিয়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা

মুসলমানদের সিন্দুকের চাবি যখন হিন্দুদের হাতে, তখন দেশের স্বাধীনতা সত্যিই সঙ্কটাপন্ন
পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মূল কারণ মীর জাফরের বেঈমানী বলে দাবি করা হলেও আসলে তা মূল ছিলো না। মূল কারণ ছিলো ঐ সময়কার হিন্দুদের বেঈমানী ( এ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে
উল্লেখ্য, সে সময় মুসলমানরা হিন্দুদের কাছে তাদের অর্থনীতির দায়িত্ব ন্যাস্ত করেছিলো। বিশেষ করে জগৎশেঠ ঐ সময় বাংলার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠে। এছাড়া নবাবীর দায়িত্বে থাকা উমিচাদ ও তার পূত্র মুসলমানদের টাকা নিয়ে ব্রিটিশদের সরবরাহ করতো। ইতিহাস বলে ঐ সময় মুসলমানদের ক্যাশ ব্যাক্স তথা হিন্দুদের চাবি থাকতো হিন্দুদের দায়িত্বেই। এ সম্পর্কে জগৎশেঠের একটি উক্তি আছে-